অভিযুক্ত শিক্ষকের পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন, শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ

সদর

দিগন্তের আলো ডেস্ক :-

 

হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটির বিষয়ে কোনো তদন্ত করা হয়নি বলেও স্বীকার করেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

 

তিনি বলেন, ‘যে সনদ দিয়ে কামাল প্রধান শিক্ষক হয়েছেন, ওই সনদের কোনো তদন্ত আমি করিনি।’

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

জেলা প্রশাসনের বক্তব্য

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের দাপ্তরিক মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবা উল আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেওয়ার অভিযোগটি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়া হবে।’

 

অভিযোগকারী শিক্ষক নেতা ইব্রাহিম খলিল বলেন, নিয়োগের সময় ব্যবহৃত সনদটি যাচাই না করে ভিন্ন একটি সনদের ভিত্তিতে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। ফলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তিনি তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে (নারাজি) বিষয়টি পুনরায় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত এবং প্রয়োজন হলে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

 

তার ভাষ্য, কোন সনদের ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সেই সনদের সত্যতা যাচাই করাই ছিল মূল বিষয়। কিন্তু সেটিই তদন্তের আওতায় না আসায় পুরো তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সব সনদ, নিয়োগের কাগজপত্র, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যাচাই প্রতিবেদন এবং তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *