নিষেধাজ্ঞা শেষে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে নেমেছেন জেলেরা

কমলনগর রামগতি

 

দিগন্তের আলো ডেস্ক :-

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে নেমেছেন জেলেরা প্রায় ৫২ হাজার জেলে। বৃহস্পতিবার (১ মে) মধ্যরাত থেকে তারা মাছ ধরতে শুরু করেন। এরপর শুক্রবার সকাল থেকে মজুচৌধুরীহাট, মতিরহাট, লুধুয়া, চেয়ারম্যান ঘাট ও চর আলেকজান্ডারসহ বিভিন্ন ঘাটে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে সরগরম হয়ে ওঠে মাছ বাজার।

 

তবে জেলেরা জানান, কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ছে না। তুলনামূলকভাবে মাছ কম পাওয়ায় তাঁরা হতাশ হলেও আশা করছেন সামনে আরও বেশি পাবেন।

 

ঘাটগুলোতে এক কেজি ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া মানভেদে প্রতি কেজি ইলিশ এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

জেলেরা বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর নদীতে নামলেও প্রত্যাশিত মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তাঁরা আশা করছেন, মৌসুম এগোলে ইলিশের পরিমাণ বাড়বে।

 

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৫২ হাজার। জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় জাল ফেলা, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাত ও মজুত—সবই বন্ধ ছিল।

 

এবারের অভিযান সফল দাবি করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ‘দুই মাস পর পুরোদমে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। শুরুতে ইলিশ কম পাওয়া গেলেও সামনে ভালো দিন আসবে বলে আশা করছি।’

নিষেধাজ্ঞা শেষে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে নেমেছেন জেলেরা

দিগন্তের আলো ডেস্ক :-

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে নেমেছেন জেলার প্রায় ৫২ হাজার জেলে। বৃহস্পতিবার (১ মে) মধ্যরাত থেকে তারা মাছ ধরতে শুরু করেন। এরপর শুক্রবার সকাল থেকে মজুচৌধুরীহাট, মতিরহাট, লুধুয়া, চেয়ারম্যান ঘাট ও চর আলেকজান্ডারসহ বিভিন্ন ঘাটে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে সরগরম হয়ে ওঠে মাছ বাজার।

তবে জেলেরা জানান, কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ছে না। তুলনামূলকভাবে মাছ কম পাওয়ায় তাঁরা হতাশ হলেও আশা করছেন সামনে আরও বেশি পাবেন।

ঘাটগুলোতে এক কেজি ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া মানভেদে প্রতি কেজি ইলিশ এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জেলেরা বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর নদীতে নামলেও প্রত্যাশিত মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তাঁরা আশা করছেন, মৌসুম এগোলে ইলিশের পরিমাণ বাড়বে।

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৫২ হাজার। জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় জাল ফেলা, আহরণ, পরিবহন, বাজারজাত ও মজুত—সবই বন্ধ ছিল।

এবারের অভিযান সফল দাবি করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ‘দুই মাস পর পুরোদমে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। শুরুতে ইলিশ কম পাওয়া গেলেও সামনে ভালো দিন আসবে বলে আশা করছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *