দিগন্তের আলো ডেস্ক :-
জাল সনদের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের চারজন শিক্ষককে বেতনসহ প্রাপ্ত সরকারি সব সুবিধার টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৫ এপ্রিলের এক স্মারকের আলোকে ৪৭১ জন জাল/ভূয়া সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকা পাঠানো হয় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
মাধ্যমিক পর্যায়ের তালিকায় রায়পুরের লুধুয়া এমএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোঃ মিজানুর রহমান, রামগঞ্জের জিয়াউল হক হাইস্কুল এন্ড কলেজের মোঃ আনোয়ার হোসেন, কমলনগরের হাজির হাট উপকূল কলেজের প্রভাষক আক্তার হোসেন এবং রামগঞ্জের পানিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের জান্নাতুল ফেরদৌসীর নাম রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আগে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া মিজানুর রহমানকে ৩৯,০১,১১৫ টাকা, আনোয়ার হোসেনকে ২৮,৫১,৬১৮ টাকা এবং জান্নাতুল ফেরদৌসীকে ১৭,৯০,৫০৫ টাকা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকরা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তাদের সনদ জাল নয় এবং বিষয়টি তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গৌতম মিত্র জানান, বিষয়টি অধিদপ্তর খতিয়ে দেখছে।