দিগন্তের আলো ডেস্ক :-
লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে আবুল বাশার (৫০) নামে ডাকাতি মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে তিনি মারা যান। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
বাশার নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানি ইউনিয়নের ভবানী জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার নুর মোহাম্মদ সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে বাশার ১৬ জানুয়ারি কারাগারে আসেন। এর আগেও তিনি একাধিক মামলায় বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ছিলেন। শ্বাসকষ্ট ও হার্টের রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। সকালে বাথরুম থেকে বের হয়ে ওয়ার্ডে এলে তিনি হঠাৎ বসে পড়েন। পরে অন্যরা তাকে কারা হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখান থেকে তাকে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গত ৮ জানুয়ারি রাতে সদর উপজলার চরশাহী ইউনিয়নের দক্ষিণ-পূর্ব তিতারকান্দি এলাকার আরব আলী মোল্লা বাড়িতে ১০-১২ জনের একটি ডাকাত দল হানা দেয়। ডাকাতরা ওই বাড়ির দাউদ আলীর বসতঘর থেকে নগদ ৬৪ হাজার টাকা, ১১ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার (মূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা) এবং ৬টি মোবাইল ফোনসহ ৩ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ১৫ জানুয়ারি বাশারসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যরা হলেন বাদশা মিয়া ও আলা উদ্দিন।
বাশারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পলাতক আসামি রাসেলের বাড়ি থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা এবং রনজিত কুরির কারখানা থেকে গলানো অবস্থায় ৬ আনা ৪ রতি সোনা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার ভবানী জীবনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি জায়েদ ওরফে জাহেদের বসতঘর থেকে একটি অবৈধ দেশীয় এলজি এবং নগদ ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। বাশারের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে৷