শ্মশানের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কাজে বাধা’ হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

অপরাদ সদর

দিগন্তের আলো ডেস্ক :-

লক্ষীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের চরচামিতা গ্রামের পোদ্দার বাড়ি সংলগ্ন শ্মশানের জমি বিরোধের জেরে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের কাজে বাধা, হুমকি, মালামাল লুট, ও চাঁদার দাবির অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার পারভেজ ও বুলেটের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান চন্দন চন্দ্রকুরী ও একই এলাকার পারভেজদের সাথে ৩৫ বছর ধরে শ্মশানের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দন চন্দ্র কুরী বলেন
১৯৮৬ সালে একই এলাকার পারভেজদের কাছে ১১৯০ ১১৯২ ১১৯৩ মোট তিন দাগে ৩৯ শতাংশ জমি বিক্রি করেন তারা চারভাই। এর আগে ১৯৮৪ সালে ১১৯৩ দাগে তার বাবা শ্মশান নির্মাণ করেন। জমি বিক্রি করার সময় আমরা শ্মশানের জায়গা বিক্রি করি নাই, কিন্তু পারভেজরা জোরপূর্বক দেড়যুগ থেকে শ্মশানের জায়গা দখল করার পায়তারা করে আসছে।

তিনি আরও বলেন আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে প্রতিনিয়ত পারভেজ ও বুলেট হুমকি দিয়ে যাচ্ছে এখানে যেন আমি কাজ না করি, এ-ই ছাড়াও পারভেজ আমার কাছে ১৫০০০০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন আমরা সংখ্যালগু সম্প্রদায় বিদায় আমরা পারি না অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে, প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিনরাত কাটছে আমাদের বাড়ির সকলের, তিনি আরও জানান এখানে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে, এবং কি আমাদেরকে হত্যা ও ঘুম করে ফেলতে পারে বলে জানান তিনি।

চন্দন চন্দ্র কুরী প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করে বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ‘উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে বসাবস করছি। আমাদের বাচ্চারা ভয়ে স্কুলে যেতে চায় না, তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

ওই এলাকার কয়েকজন বৃদ্ধ জানান, ওই জমিতে শ্মশান ছিলো এটা চরম সত্য এবং আমরা ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি।

তবে চাঁদাদাবিসহ অভিযোগগুলো অস্বীকার করে পারভেজ বলেন আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট, এটা আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *